all post

Responsive Advertisement

বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে সরব হলেন শান্তনু ঠাকুর। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি। বিস্তারিত পড়ুন..

  ইসলামিক আগ্রাসনের স্বীকার বাংলাদেশের হিন্দু জন গোষ্ঠী। সত্যিই কি হিন্দুদের পাশে কেউ নেই। এই ভাবেই একটা জাতি র ধ্বংস হবে??

 


 বাংলাদেশের খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার শিয়ালি গ্ৰামে হিন্দুদের উপর ঘটে যায় এক বর্বরচিত ঘটনা। ঘটনাতে ঐ গ্রামের ৫৬ টির ও বেশি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে জঙ্গিবাদের কান্ডারী জেহাদী মুসলমানেরা। যারা কাশ্মীরের মতো মাইকে এনাউন্স করে সকল জেহাদী মুসলিমদের একত্রিত করে পরিকল্পনা মাফিক হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চালায় লুটপাট চালায়। এই আতঙ্ক আজকের নয় দেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য করার এই পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের যে সরকার ই এসেছে ধীরে ধীরে স্লো পয়েজন এর মতো কাজ করে চলেছে হিন্দু নিধনের। 

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটুও খুশি হন নি। তার কাছে এই সংবাদ যখন পৌঁছায় তিনি তখন জেলে কারাবন্দী আবস্থা তে ছিলো ।যখন তিনি শুনলেন বাংলাদেশ স্বাধীন করে তাকে বাংলাদেশ নামে আলাদা দেশ করে দিয়েছে তখন তিনি বলেন আমি তো বাংলাদেশ চাইনি চেয়েছি পাক অধিকৃত বাংলাদেশের শাসক হতে। তাই তার হাত ধরেই ধীরে ধীরে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে জিহাদীদের আতুর ঘর। 

বাংলাদেশে বসবাস রত হিন্দু বাঙালি রা স্বাধীনতার পর আজ পর্যন্ত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। রোজ তাদের ওপর নেমে আসছে এক কালো অধ্যায়। এমন ঘটনা বাংলাদেশে এখন ওহরহ নজরে পরছে। সম্প্রীতি ঘটে গেলো খুলনার ভোলায় জেহাদীদের তান্ডব। আবার খুলনার ই রুপসায় ঘটে গেলো এই ঘটনা। 


মতুয়া সঙ্গের আধিপতি শান্তনু ঠাকুর তিনি বর্তমান ভারতের কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর এমন অত্যাচার দেখে তিনি ভারতের প্রধান মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে লিখিত ভাবে নোটিশ জারি করেছেন এই বিষয়ে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ করার জন্য। যদি এই জিহাদীদে শক্তিকে দমন করা না যায় তাহলে ভারতের ওপর ও বড় হুমকি আসতে পারে দাবী ভারতীয় জাতীয় মহলের। ভারতে বসবাস রত প্রায় ৫ কোটি অনুপ্রবেশকারি বাংলাদেশী জেহাদী মুসলিম রয়েছে। তারা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সিরিয়াল ব্লাস্ট করেছেন। তাই ভারত সরকার অবিলম্বে এর বিহিত করুন। 

 

এই দিন কবী শিল্পী তথা ভারতীয় জনতাপার্টির পশ্চিমবঙ্গের বিধায় শ্রী আসীম সরকার মহাশয় ও এর তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি তার রুদ্র রুপ প্রকাশিত করে রনহূঙ্কারে বাংলাদেশী জেহাদীদের কে সাবধানতা করেছেন। যদিও জেহাদীদের এই বিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তারা যতো দিন হিন্দু বেঁচে আছে সনাতন বেঁচে আছে ভারত বেঁচে আছে ততদিন এই কাজ বারবার করবে।


তাই হিন্দুদের কে একত্রিত হতে হবে। সঙ্গবদ্ধ হতে হবে। একতাই বল। 


সকল বন্ধুদের কাছে অনুরোধ সকলেই পোষ্টটি শেয়ার করে সংবাদটি সবাইকে জানানোর ব্যাবস্থা করুন। জয় হরিচাঁদ জয় গুরুচাঁদ


Post a Comment

0 Comments