all post

Responsive Advertisement

তালিবান শাসন নাকী নারীদের ওপর অত্যাচার পড়ুন বিস্তারিত..

 তালিবানদের কোরান হাদিস আর তালিবান ভিন্ন মুসলিম দের কোরান হাদিস কি আলাদা? যদি তা নাই হয় তাহলে কি কারনে তালিবান রা নিজেদের মানুষের ওপর ই অত্যাচার চালাচ্ছে। পড়ুন বিস্তারিত...

 


 

সাল ১৭৪৭ ভারতের একটা বড় অংশ কেটে বিচ্ছিন্ন হলো মুসলিম অধ্যুষিত একটা দেশ নামে। আফগানিস্তান নাম ধরান করলো বিশ্বের দরবারে। সেখানে বসবাস রত হিন্দু.,শীখ বৈদ্ধ ধর্মের লোকদের ধীরে ধীরে কনভার্ট করা মেরে ফেলা সকল প্রকার চেষ্টার মাধ্যমে তাদের কে হিন্দুর গান্ধার নামক দেশকে মুসলিম আফগানিস্তান এ পরিনত করলো। কনভার্টেড হওয়া মুসলিমরাই। তারা কি চান প্রকৃত পক্ষে, তাদের যুদ্ধ কি কারনে করা তাই নিয়ে কিছু কথা। বর্তমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে। 


আফগানিস্তানের ভূমিভাগ 652,860 km²। এই ভূখন্ডের বসবাস রত সকল মুসলিম সমুদয় আজ ২০০১ সালের পর দীর্ঘ ২০ বছর আমেরিকার সেনাদের সাথে তাদের সংঘর্ষ চালিয়ে গেছে দেশের সার্বভৌম ক্ষমতা দখলের উদ্দেশে। যদিও আমেরিকা নিজের লাভের জন্যই এতোদিন আফগানিস্তান এ ছিলেন সৈন্যবল নিয়ে আজ আমেরিকা নিজে তালিবান সেনা তৈরী করে দেশের সাধারন জনগনকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। সে কথা বাদ থাক আসি আসল উদ্দেশ্যে। 


তালিবান হলো আফগানিস্তান এর একটা ছাত্র সংগঠন থেকে উভরে আসা আতঙ্ক বর্তমানের। তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য ইসলামের শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। ১৭৪৭ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ২০২১ মোট ২৭৪ বছর ধরে তাদের এই লড়াই সংঘর্ষ চলে আসছে। আর ভীতরে ভীতরে হিন্দু নির্যাতন। সেখানে আজ ২৫০/২৬০ এমন সংখ্যায় কিছু শিখ তাদের দেবভূমি আকড়ে পরে আছে। 


আফগানিস্তানের এই বর্বরতম আক্রমন আফগানিস্তানে বসবাস রত নিজের মানুষের ওপর এটা একটা ঘৃন্য অধ্যায়ের সুচনা। এই তালিবানদের আফগান জয় বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের বসবাস রত তালিবান প্রেমীদের খুব আনন্দের বাতাবরন বয়ে এনেছে। এরা মনে মনে ভীষন আনন্দ পাচ্ছে। তালিবানী ইসলামিক শাসন শুরু হতে চলেছে ঐ দেশে এই ভেবেই তারা আনন্দিত। আমাদের ভারতের কিছু বুদ্ধিজীবী মহল যারা কোনো কারন ছাড়াই সব কিছুতে মানবতাবাদ চোখে পড়ে আজ সেই শ্রেনীর লোকগুলো চোখে রঙিন চশমা পরে আছে আজ আর মানবতা খারতা ম্যাসুজ করছে না তাদের কাছে। এই তালিবানদের কাছে বিগত ২৭৪ বছর ধরে তেলের দাম চালের দাম কতো হলো কে কেমন ভাবে চলছে এটা কোনো মাইনে রাখে নি। এদের একটাই উদ্দেশ্য ইসলামিক শাসন। এবং আজ ২০২১ এসে দাঁড়িয়ে তারা সফল হচ্ছে। তাদের কাছে শিক্ষার কোনো মূল্য নেই মানবতার কোনো মূল্য নেই। আর আমাদের দেশে তাদের হয়ে কথা বলার লোক বহু রয়েছে। কিছু হতে না হতেই দেশের সরকারকে এরা ফ্যসিস্ট বলে যা ইচ্ছে তাই শুরু করে কিন্তু আজ দেখুন কি ভাবে শান্ত হয়ে দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। 


এই তালিবানদের আফগান জয় শুধু ঐ দেশের মানুষের ই ক্ষতি নয় ভয়ের কারন নয়। ভয়ের কারন আমাদের ভারতের মানুষের ও রয়েছে। কারন ইসলামিক মৌলবাদীরা এই আফগানী প্রকল্পের সাথে নিজের আবেগ খুঁজে পেয়েছে দীর্ঘ দিন ধরেই। তারাও ভারত বর্ষকে আফগানি শাসনের আওতায় আনতে চায়। এর পরিকল্পনা বহু প্রাচীন। তাই তো ভারতের পার্শ্ববর্তী দেশ গুলোতে হিন্দু শুন্য হয়েছে আর ভারতে তালিবানী মুসলিমদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ আপনি ভাবতে পারছেন না কারন আপনার থেকে সংখ্যায় তারা কম যখন এরা সংখ্যায় আর একটু বেশি হবে তখন ই  হবে আসল খেল আপনার শান্তির ঘুম ভেঙে দেবে। যাই  হোক মূল কথাতে ফেরা যাক। আমার প্রশ্ন ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলিমদের কাছে যে তালিবান রা কি ধরনের কোরান  হাদিস পড়ে আর ঐ দেশের বসবাস রত তালিবান ভীন্ন মুসলিম রা কী ধরনের কোরান পড়ে যার ফলে আজ মুসলিম ই মুসলিমদের শত্রুতে পরিনত হয়েছে। তাই পাঠক সকল বন্ধুদের কাছে আমার একটা কথাই বলা এই তালিবান বা মুসলিম সমুদয় কখনোই আল্লার পথে চলে না নি আর না চলবে এদের একটাই আন্দোলন ইসলামিক আন্দোলন আর এই আন্দোলনে ইসলাম ও ইসলামের শত্রু। তাই আজ যারা লাফাচ্ছে তালিবানদের জয়ে তারা এটা ভেবে রাখবে তাদের জীবন ও দূর্বিশহ করে দেবে এই ইসলাম। 


তালিবেন শাসন মেনুফেস্টতে তারা যা উল্লেখ করেছে তাতে আমার মনে হয়েছে এই একাধিপত্য শুধু মাত্র ইসলামের নারীদের জন্য। এরা শাসন মূলত নারীদের ওপর করতে চায়। নারীরা এদের শস্য খেত ও গোলামী করার জন্যে পৃথিবীতে জন্মেছে। না হলে কি করে সব আইন শুধু মাত্র নারীদের জন্য হতে পারে। আইনে লিখেছেন-

১) ১০বছরের উর্দ্ধে মেয়েদের হিজাব বাধ্যতামূলক 

২)বয়:সন্ধী হলেই  বিবাহযোগ্যা।

৩)নারীরা চাকরী করতে পারবে না। 

৪)বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। 

৫)স্বামীর সেবাই পরম ধর্ম।

৬)স্বামীর পায়ের তলায় জান্নাত বিশ্বাস।

৭)স্বামীর মুখের ওপর কথা বলা চলবে না।

৮)জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ। 

৯) যথেচ্ছ সিজার নিষিদ্ধ। আরো অনেক।।। 


তাই ইসলাম কখনো শান্তির বার্তা বয়ে আনে নি। ইসলাম যদি নিজের সমুদয় এর মানুষদেরকে মেরে তাদের ওপর একাধিপত্য কায়েম করতে পারে তাহলে ইসলাম ভিন্ন অন্য সকল জাতির জন্য এরা কতোটা হূমকি স্বরুপ তা আমাদের আজ ভাবতেই হবে। এক হতেই হবে না হলে সনাতনের সত্যনীতি মাটিতে পদদলিত হবে আর নারীরা হবে গনীমতের মাল। তাই হে সনাতন জাগো ওঠো আর ঘুমিয়ো না জগতে তোমার রূদ্র রূপ দেখানোর সময় এসেছে। তুমি তোমার গৌরব রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত হও।

 

 যে জাতি নিজের ধর্মের মা বোনদের ওপর এমন আত্যাচার চালাতে পারে তারা কখনোই আমাদের ছেড়ে দেবে না কখনো দেয় ও নি। এদের কাছে পেট্রোল এর দাম কতো বাড়লো সেটা মেটার করে না। এরা ইসলামের অত্যাচার কে সারা দুনিয়াতে প্রচার করতে চায়।

 

       ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ

Post a Comment

0 Comments